কোম্পানী শ্রম আইনের সংশিষ্ট ধারা বাস্তবায়নের জন্য নিলিখিত নীতিমালা অনুসরন করে থাকে।
যথা১. কমিটির সদস্যসংখ্যা কমপক্ষে ( মালিক এবং শ্রমিক প্রতিনিধি - ৫+৬=) ১১ জন হইতে হইবে।
২. শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি মালিক পক্ষের প্রতিনিধি অপেক্ষা নূন্যতম একজন বেশি হইবে।
৩. মালিক তার প্রতিনিধি মনোনয়নের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন।
৪. কমিটির মেয়াদ কমপক্ষে (০২) বছর হইবে।
৫. এই কমিটির সদস্য অন্য কোন সংগঠনের সদস্য হতে পারবে না।
৬. শ্রমিক প্রতিনিধির চাকুরীর বয়স অত্র কারখানায় কমপক্ষে এক (১) বছর হইতে হবে।
৭. আইন মোতাবেক প্রার্থীর বয়স ২৪ (চব্বিশ) বৎসর হতে হবে ( শিল্প ও কারখানা সম্পর্কিত আইন )।
৮. উক্ত কমিটির সদস্যগণ কোম্পানীর সকল বিধি-বিধানের উপর আস্থাশীল থাকবে।
৯. নোটিশের মাধ্যমে সভা আহবান করতে হবে।
১০. নোটিশে সভার স্থান, সময়, তারিখ ও আলোচ্যসূচী উল্লেখ থাকতে হবে।
১১. কমিটির সকল কার্যক্রম রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ থাকবে।
১২. সভায় সিদ্ধান্ত সমূহ দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যগনের সম্মতিতে গৃহীত হইবে।
১৩. কমিটিতে থাকাকালীন কারও চাকুরীর অবসান হলে বা চলে গেলে, সেক্ষেত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে সদস্য অর্ন্তভ’ক্ত হইবে।
১৪. মালিক / পরিচালক বা তার মনোনীত প্রতিনিধি পদাধিকার বলে সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
১৫. শ্রমিক প্রতিনিধির মধ্য থেকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হবে, যিনি সভাপতির অনুপস্থিতিতে সভা পরিচালনা করবেন।
১৬. কমিটির সকল সদস্যদের নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে।
কর্মচারীগন মালিকের প্রতিনিধি হিসাবে কমিটিতে অর্ন্তভ’ক্ত হবে।
মালিকের প্রতিনিধি :
১. ব্যবস্থাপনা পরিচালক / পরিচালক / নির্বাহী পরিচালক বা তার প্রতিনিধ সভাপতি।২. রকবিুল ম্যানেজার সদস্য।
৩. জেনারেল ম্যানেজার সদস্য।
৪. কল্যান কর্মকর্তা সদস্য সচিব।
৫. এ্যাডমিন অফিসার সদস্য।
০১ জন সহ-সভাপতি সহ সর্বমোট ০৬ জন সদস্য শ্রমিকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং যার মধ্যে নারীদের অর্ন্তভূক্তি থাকবে। এখানে প্রকাশ থাকে যে, নির্বাচিত সদস্য শ্রমিকগনই সহ-সভাপতি মনোনীত বা নির্বাচিত করবে।
শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২০৬ অনুযাযী প্রতিষ্ঠানের প্রতি মালিক এবং শ্রমিক সকলেরই অঙ্গিভূত হওয়ার ভাব প্রোথিত ও প্রসার করা এবং প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকগনের অঙ্গিকার ও দায়িত্ব বোধ জাগ্রত করা এবং বিশেষ করে
১. শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে পারস্পারিক আস্থা ও বিশ্বাস, সমঝোতা এবং সহযোগীতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালানো।
২. শ্রম আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা।
৩. শৃংখলাবোধে উৎসাহিত করা, নিরাপত্ত্,া পেশাগত স্বাস্থ্য রক্ষা এবং কাজের অবস্থার উন্নতি বিধান ও সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা।
৪. বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষন, শ্রমিক শিক্ষা এবং পরিবার কল্যান প্রশিক্ষনে উৎসাহিত করা।
৫. শ্রমিক এবং তাহাদের পরিবারবর্গের প্রয়োজনীয় কল্যানমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা।
৬. উৎপাদন লক্ষ মাত্রা অর্জন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ হ্রাস এবং অপচয় রোধ ও উৎপাদিত দ্রব্যের মান উন্নত করা।
ধারা ২০৭ অনুযায়ী কমিটির সভা :
১. ধারা ২০৬-এর অধীন কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার সুপারিশ করা ও তৎসম্পর্কে আলোচনা ও মতবিনিময়ের জন্য অংশগ্রহনকারী কমিটি প্রতি দুই মাসে অন্তত একবার মিলিত হইবে।২. অংশগ্রহনকারী কমিটির প্রত্যেক সভার কার্য-বিবরণী, সভা অনুষ্ঠানের সাত দিনের মধ্যে, শ্রম পরিচালকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
ধারা ২০৮ মোতাবেক কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন :
১. অংশ গ্রহনকারী কমিটির সুনির্দিষ্ঠ সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করিবে।
২. যদি কোন কারণে মালিক অংশগ্রহনকারী কমিটির সুপারিশমালা বাস্তবায়ন করিতে অসুবিধা বোধ করেন, তাহা হইলে তৎসম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিতে হইবে এবং যথা-শীঘ্র উহা বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা গ্রহন করিতে হইবে।
0 Komentar untuk " কোম্পানী শ্রম আইনের সংশিষ্ট ধারা বাস্তবায়নের জন্য নিলিখিত নীতিমালা"